EUR/GBP: গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট জোন ভাঙার পর আরও পতনের আশঙ্কা!
অ্যাকশনফরেক্সের ওয়েভ অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, এই কারেন্সি পেয়ারটি এখন আরও নিচে নামতে পারে।

বৈশ্বিক ফরেক্স market-এ EUR/GBP কারেন্সি পেয়ারটি বর্তমানে ট্রেডারদের মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। অ্যাকশনফরেক্সের সর্বশেষ ওয়েভ অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, এই পেয়ারটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট জোন ভেঙে দিয়েছে, যা এর ভবিষ্যৎ গতিবিধি নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। এই ব্রেকআউট বেয়ারিশ প্রবণতাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
EUR/GBP কি সত্যিই এখন শুধু নিচের দিকে নামবে?
হ্যাঁ, অ্যাকশনফরেক্সের বিশ্লেষণ সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। EUR/GBP সম্প্রতি 0.8500 সাপোর্ট লেভেল এবং মে ও ফেব্রুয়ারির দুটি দৈনিক ডাউন চ্যানেলের সাপোর্ট ট্রেন্ডলাইন দ্বারা গঠিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট জোন ভেঙে দিয়েছে। এই জোনটি ছিল দীর্ঘদিনের একটি শক্তিশালী প্রতিবন্ধক, যা অতিক্রম করতে না পারলে প্রাইস সাধারণত উপরে ফিরে আসে। কিন্তু যখন এই ধরনের একটি জোরাল সাপোর্ট ভেঙে যায়, তখন প্রাইস আরও নিচে নামার সম্ভাবনা প্রবল হয়।
এই ব্রেকআউটের তাৎপর্য কী?
এই ব্রেকআউটটি সক্রিয় মাইনর ইম্পালস ওয়েভ 3-কে আরও ত্বরান্বিত করেছে। ওয়েভ অ্যানালাইসিস অনুযায়ী, ইম্পালস ওয়েভ 3 সাধারণত সবচেয়ে শক্তিশালী এবং দ্রুতগামী হয়। এর অর্থ হলো, EUR/GBP-এর আরও পতন দেখার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এটি তুলনামূলকভাবে দ্রুততার সাথে ঘটতে পারে। বিশেষ করে 0.8500 লেভেলকে পরবর্তী সম্ভাব্য সাপোর্ট হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদি এই লেভেলও ভেঙে যায়, তাহলে আরও বড় পতন অপ্রত্যাশিত হবে না!
ট্রেডারদের এখন কী করা উচিত?
EUR/GBP-এর এই পরিস্থিতি বাংলাদেশি ফরেক্স ট্রেডারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। যারা শর্ট পজিশনে আছেন, তারা হয়তো তাদের ট্রেড ধরে রাখতে চাইবেন বা নতুন করে শর্ট পজিশন নেওয়ার কথা ভাববেন। তবে যারা লং পজিশনে ছিলেন, তাদের জন্য এটি একটি দুঃসংবাদ। তাদের স্টপ-লস সেট করা না থাকলে বড় ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। মার্কেটে প্রবেশ করার আগে নিশ্চিত করুন যে আপনি আপনার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনা ভালোভাবে যাচাই করেছেন। যেকোনো ট্রেডিং সিদ্ধান্তে সাবধানে থাকা উচিত, কারণ market যেকোনো সময় তার গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে।
সামগ্রিকভাবে, EUR/GBP-এর জন্য বর্তমান পরিস্থিতি বেশ বেয়ারিশ মনে হচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট জোন ভাঙার পর কারেন্সি পেয়ারটি এখন 0.8500 লেভেলের দিকে অগ্রসর হতে পারে। ট্রেডারদের উচিত মার্কেটের গতিবিধি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং খুব সতর্কতার সাথে তাদের ট্রেডিং সিদ্ধান্ত নেওয়া।





